ইলেক্ট্রো-হোমিওপ্যাথির ইতিহাস


ইলেক্টো-হোমিওপ্যাথির জনক ডা: কাউন্ট সেজার মেটি । যাহার জন্ম ইতালির বোলংগা শহরে, আনুমানিক ১৮০৯ সালের ১১ই জানুয়ারী জন্ম গ্রহণ করেন । কাউন্ট সেজার মেটি একটি সম্ভ্রোম পরিবারে বেড়ে উঠেন । পড়ালেখায় খুব ভাল হওয়ায় সে প্রাকৃতিক বিজ্ঞান নিয়ে চর্চা শুরু করেন । তাই সে এনাটমী, ফিজিওলজী, প্যাথলজী, রসায়ন ও উদ্ভিদ বিজ্ঞানের উপর পান্ডিত্য লাভ করেন । এ সকল বিষয়ের উপর গবেষণা করে ১৮৬৫ শতাব্দীতে অন্যতম আধুনিক ঔষধ সম্পর্কে বিশাদ বর্ননা প্রদান করেন ।


 কাউন্ট সেজার ১৮৭৪ সালে ইতালিয় ভাষায় সর্বপ্রথম ইলেক্ট্রো-হোমিওপ্যাথির উপর বই প্রকাশ করেন । এই সময় তিনি বার্ধক্য জনিত কারণে ১৮৮৭ সালে তাহার সকল গবেষণালব্ধ পান্ডলিপি তার পালিত পুত্র মারিয়ো ভেনটুরোলীর হাতে তুলে দেন । সে তার জীবনের উল্লেখ্যযোগ্য সময় ইলেক্ট্রো-হোমিওপ্যাথির সন্ধানে এবং নতুন ঔষধ আবিস্কার করে যথা সম্ভব গ্রহনযোগ্য মেটেরিয়া মেডিকা সৃষ্টি করে যান । সে শুধু তাহার কর্মের বিকাশ কিংবা রোগের লক্ষণ ভিত্তিক চিকিৎসা ব্যবস্থা দিয়ে যাননি, বরং তাদের যথাযোগ্য নিয়মনীতি এবং তাদের সর্বাধিক প্রয়োগের কারণ ব্যাখ্যা দিয়ে যান । তাহার এই থিউরী যথেষ্ট সহজবোধ্য, সরল ও আরোগ্যক্ষম পদ্ধতি, যাহার নামকরণ করেন ঔষধের ইলেক্ট্রোসিটি বা ইলেক্ট্রো-ন্যাচারোপ্যাথি (ইলেক্ট্রোপ্যাথি; কোথাও কোথাও এটাকে ইলেক্ট্রো-হোমিওপ্যাথি বলা হয়েছে । কিন্তু বিতর্ক এড়িয়ে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশে আমরা এটা সম্পূর্ণ আলাদা চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে উপস্থাপনা করার জন্য নামটি ব্যবহার থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকার চেষ্টা করেছি ।)

লেখা সংগ্রহ: আমার শ্রদ্ধেয় ‍গুরু ডা; এসকে পাপন স্যারের নিউ ইলেক্ট্রো-ন্যাচারোপ্যাথি বই থেকে নেওয়া ।
ডা: এসকে পাপন বি.এইচ.এম.এস (ডি ইউ)





No comments

Powered by Blogger.